কেন্দ্রীয় কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তৃণমূলের অবস্থান-বিক্ষোভ
দি নিউজ লায়ন ; তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুযায়ী কালা কৃষি আইন এর বিরুদ্ধে কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পালন হচ্ছে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি। সেইমতো বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন দুই ব্লকের ধনেশ্বরপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি।
এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি আইন এর তীব্র বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত তৃণমূল নেতৃত্ববৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম চন্দ্র প্রধান, তৃণমূল নেতা শৈবাল গিরি, ইফতেখার আলী সহ অন্যান্যরা। কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান তার ভাষণে বলেন এই কৃষি বিল আমরা মানছি না মানবো না। এই কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন সারা দেশজুড়ে এই কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে।
তৃণমূল কৃষকদের পাশে রয়েছে আগামী দিনেও পাশে থাকবে। এই কৃষি বিল প্রত্যাহার দাবিতে যেভাবে কৃষক সংগঠনগুলি আন্দোলন শুরু করেছে তা থেকে সকলে অনুমান করছে কৃষি বিল কৃষকদের পক্ষে ভালো নয় ।এই কৃষি বিল কেবল মাত্র গুটিকয়েক ধনী ব্যবসায়ীদের জন্য পাস করা হয়েছে। এই কৃষি বিল গরীব কৃষকদের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। যার ফলে আলু পিয়াজ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে।
অথচ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ওই নয়া কৃষি বিল প্রত্যাহার করার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তাই কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি আন্দোলন শুরু করা হয়েছে। তিনি তাঁর ভাষণে আরো বলেন যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কৃষকদের পাশে রয়েছেন এবং তিনি কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন। বিজেপি কৃষি বিল নিয়ে মানুষকে ভুল বুঝাচ্ছে।
আসলে বিজেপি পুঁজিপতিদের দল তারা গরীব মানুষের দল নয়। তাই গরীব কৃষকদের উপর অমানবিক অত্যাচার সৃষ্টি করার জন্য এই কৃষি বিল লোকসভা ও রাজ্যসভার পাস করিয়েছে। এই কৃষি বিল এর ফলে হু হু করে আলু ও পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত ।আগামী দিনে কৃষকদের নিজেদের ফসলে তাদের কোনো অধিকার থাকবে না।
তাই কৃষি বিল প্রত্যাহারের জন্য দেশজুড়ে কৃষকরা আন্দোলনে শামিল হয়েছে। কৃষকদের অবহেলা করলে তারা কেন্দ্রকে উপযুক্ত জবাব দিবে সারা দেশের কৃষকরা। কারণ যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমাদের মুখে অন্ন তুলে দেয় তাদের দাবি যদি সরকার না মানে তাহলে তারা সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে বাধ্য। তাই দেশজুড়ে কৃষকরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে।

Post a Comment